ঢাকাবুধবার , ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  1. আমতলী
  2. কলাবাড়ি
  3. কান্দি
  4. কাশিয়ানী
  5. কুশলা
  6. কোটালীপাড়া
  7. খেলা
  8. গোপালগঞ্জ
  9. গোপালগঞ্জ সদর
  10. জাতীয়
  11. টুঙ্গিপাড়া
  12. পিঞ্জুরী
  13. পৌরসভা
  14. বঙ্গবন্ধু
  15. বান্ধাবাড়ি
আজকের সর্বশেষ খবর

অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর: গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান

মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল
জানুয়ারি ২১, ২০২৬ ৫:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, গোপালগঞ্জ:

রিটানিং অফিসার ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা কিংবা সহিংসতা না ঘটে সে বিষয়ে প্রশাসন শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

গোপালগঞ্জে দলীয় ও সতন্ত্র প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার প্রতিটি ধাপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে জেলাজুড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৫৫ হাজার ২২৮ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৯৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

গোপালগঞ্জ-০১ (মুকসুদপুরকাশিয়ানী আংশিক)

এই আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মিজানুর রহমান (হাতপাখা), জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হামীদ মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবির নীরদ বরন মজুমদার (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান (লাঙল)।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আশরাফুল আলম (ফুটবল), এম. আনিসুল ইসলাম (ঘোড়া) এবং কাইউম আলী খান (কলস)।

গোপালগঞ্জ-০২ (সদরকাশিয়ানী আংশিক)

এই আসনে প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মোট ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

দলীয় প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কে এম বাবর (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের তসলিম শিকদার (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদ (ট্রাক), জাকের পার্টির মাহমুদ হাসান (গোলাপ ফুল), জাতীয় পার্টির রিয়াজ সরোয়ার মোল্যা (লাঙল), গণফোরামের শাহ মফিজ (উদীয়মান সূর্য) এবং খেলাফত মজলিসের শুয়াইব ইবরাহীম (রিকশা)।

স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান ভূইয়া (টেলিফোন), উৎপল বিশ্বাস (ফুটবল), এম. এইচ খান মনজু (হরিণ) এবং মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (টেবিল ঘড়ি)।

গোপালগঞ্জ-০৩ (কোটালীপাড়াটুঙ্গিপাড়া)

এই আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দলীয় প্রার্থীরা হলেন বিএনপির এস. এম. জিলানী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মারুফ শেখ (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের আ. আজিজ (রিকশা), এনপিপির শেখ সালাউদ্দিন (আম), গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (উদীয়মান সূর্য) এবং গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসার (ট্রাক)।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান (ফুটবল) এবং গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (ঘোড়া)।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।