ঢাকাবুধবার , ২৯ জুলাই ২০২৬
  1. আমতলী
  2. কলাবাড়ি
  3. কান্দি
  4. কাশিয়ানী
  5. কুশলা
  6. কোটালীপাড়া
  7. খেলা
  8. গোপালগঞ্জ
  9. গোপালগঞ্জ সদর
  10. জাতীয়
  11. টুঙ্গিপাড়া
  12. পিঞ্জুরী
  13. পৌরসভা
  14. বঙ্গবন্ধু
  15. বান্ধাবাড়ি
আজকের সর্বশেষ খবর

কোটালীপাড়ায় কৃষক কার্ড হালনাগাদ কাযক্রম পরিদর্শনে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক

মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল
জুলাই ২৯, ২০২৬ ৫:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে কৃষক কার্ড হালনাগাদের লক্ষ্যে চলমান তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মামুনুর রহমান।

হালনাগাদ ডাটাবেজের মাধ্যমে কৃষি প্রণোদনা ও সরকারি সেবা প্রকৃত কৃষকের দোরগোড়ায় পৌছাতে কান্দি ইউনিয়নের এই তিনটি ওয়ার্ডে ১২৮০ কৃষক পরিবারের চলছে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম।

বুধবার (২৯ জুলাই) দিনব্যাপী মাচারতারা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন কৃষিবিদ ড. মামুনুর রহমান।। পর্যবেক্ষণকালে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা ও এর সুফল সম্পর্কে অবহিত করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ দোলন চন্দ্র রায় এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা কৃত্তিবাস পান্ডে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কান্দি ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত মাচারতারা, গজালিয়া, আমবাড়ী, হিজলবাড়ী, ভেন্নাবাড়ী, তালপুকুরিয়া ও বানারঝোড় গ্রামের মোট ১ হাজার ২৮০টি কৃষক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও কৃষক কার্ড হালনাগাদের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

ইতোমধ্যে ধারাবাশাইল ব্লকের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ওই ব্লকে ১ হাজার ৪০২ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

পরিদর্শন শেষে উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মামুনুর রহমান বলেন, “কৃষক কার্ড হালনাগাদ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভুল ও আধুনিক তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা। এর মাধ্যমে সরকারি কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, উন্নত বীজ, সার এবং অন্যান্য কৃষিসেবা প্রকৃত কৃষকদের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ দোলন চন্দ্র রায় বলেন, “কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এতে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করা সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সরকারি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে উপজেলার কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যতে কৃষি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষক বিপুল পান্ডে বলেন এটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। সঠিক তথ্যভিত্তিক কৃষক ডাটাবেজ তৈরি হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে ভোগান্তি কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা পাবেন।

জানা গেছে, সারা দেশে ১ কোটি ৬৫ লক্ষ কৃষকদের এই স্মার্ট কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে কোটালীপাড়া উপজেলায় এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নগদ অর্থ, কৃষকদের ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ন্যায্যমূল্যে সেচ, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি বীমা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়, আবহাওয়া বার্তা ও বাজারের তথ্য প্রাপ্তি, চাষকৃত ফসলের চিকিৎসা সহ এসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন স্মার্ট কৃষক কার্ডধারীরা।