নিখোঁজের ৩ দিন পর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সিনথিয়া খানম বৃষ্টি (৭) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, শিশুটিকে হত্যা মরদেহ ফেলে রাখা হয়।
নিহত সিনথিয়া খানম বৃষ্টি কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে। সে পাংখারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে কাশিয়ানী থানাধীন ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল বাজারের পশ্চিম পাশের একটি বাগান থেকে কাশিয়ানী থানা পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত শিশুর বাবা লিটন শেখ জানান, গত রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে বৃষ্টি তারাইল বাজারে যায়। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। পরদিন সোমবার বৃষ্টির মা পাপিয়া বেগম কাশিয়ানী থানায় একটি নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি করেন।
তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় বৃষ্টির কানে থাকা দুল পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার পর দুর্বৃত্তরা সিনথিয়াকে হত্যা করে থাকতে পারে।এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এদিকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কাশিয়ানী থানা পুলিশ উপজেলার ডোমরাকান্দি গ্রামের হাসমত মোল্লা ছেলে রাজিব মোল্লা কে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনায় মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করেছে।

